
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্নে আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো মেলবোর্ন-২০২৫’ আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) শুরু হয়েছে। এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে বাংলাদেশি ১২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অর্থায়নে তৈরি পোশাক সামগ্রী প্রদর্শন করছে ১১টি পোশাক উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়াও আরও একটি পাটজাত দ্রব্য উৎপাদনকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে।
মেলবোর্ন গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপোতে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রদর্শনী কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দীন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে যুগ্মসচিব নাহিদ আফরোজ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (মেলা ও প্রদর্শনী) মাহমুদুল হাসান, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রনি চাকমা, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেরি কিন্সেলা উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ৬০০ উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী বছরে দুবার অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ আয়োজন পণ্য প্রদর্শনী, নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনে আমদানি ও রপ্তানিকারক এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বর্তমানে ৫ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই তৈরি পোশাক সামগ্রী। বর্তমানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার ২৩তম বাণিজ্যিক অংশীদার। বিজ্ঞপ্তি

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্নে আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো মেলবোর্ন-২০২৫’ আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) শুরু হয়েছে। এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে বাংলাদেশি ১২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অর্থায়নে তৈরি পোশাক সামগ্রী প্রদর্শন করছে ১১টি পোশাক উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়াও আরও একটি পাটজাত দ্রব্য উৎপাদনকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে।
মেলবোর্ন গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপোতে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রদর্শনী কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দীন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে যুগ্মসচিব নাহিদ আফরোজ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (মেলা ও প্রদর্শনী) মাহমুদুল হাসান, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রনি চাকমা, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেরি কিন্সেলা উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ৬০০ উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী বছরে দুবার অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ আয়োজন পণ্য প্রদর্শনী, নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনে আমদানি ও রপ্তানিকারক এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বর্তমানে ৫ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই তৈরি পোশাক সামগ্রী। বর্তমানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার ২৩তম বাণিজ্যিক অংশীদার। বিজ্ঞপ্তি
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।