
বিডিজেন ডেস্ক

ভয়ংকর পরিণতির জন্য ইসরায়েলকে প্রস্তুত থাকতে বললেন খামেনি
ইসরায়েলের হামলার কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। হামলার পর দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক বিবৃতিতে তেলআবিবকে তেহরানের ভয়ংকর পাল্টা জবাবের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশের দিকে নোংরা ও রক্তাক্ত হাত বাড়িয়েছে জায়নবাদীরা। আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে এবার তারা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নিজেদের শয়তানি প্রকৃতির প্রকাশ ঘটাল। তাদের এর শাস্তি পেতেই হবে। আর সেই শাস্তি হবে কঠোর। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বলিষ্ঠ বাহু কখনোই জায়নবাদীদের ছেড়ে দেবে না। শত্রুদের হামলায় আমাদের কয়েকজন কমান্ডার ও বিজ্ঞানী শহীদ হয়েছেন। ইনশা আল্লাহ তাঁদের উত্তরসূরিরা দ্রুতই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।’
এ সময় ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে খামেনি বলেন, ‘ইরানে হামলা চালিয়ে জায়নবাদীরা নিজেদের জন্য এক তিক্ত ও বেদনাদায়ক পরিণতি নির্ধারণ করে নিয়েছে। নিঃসন্দেহে সেই পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।’
খামেনির এই বিবৃতি প্রকাশের আগেই সব স্কুল-কলেজ-অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টায় এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র। ইরানে হামলা চালানোর পরপরই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েল।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের প্রতিরক্ষানীতিতে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনা হবে। আর এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, দেশের সব অঞ্চলকে পূর্ণমাত্রার সক্রিয় অবস্থা থেকে প্রয়োজনীয় মাত্রার সক্রিয় অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হবে।’

ভয়ংকর পরিণতির জন্য ইসরায়েলকে প্রস্তুত থাকতে বললেন খামেনি
ইসরায়েলের হামলার কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। হামলার পর দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক বিবৃতিতে তেলআবিবকে তেহরানের ভয়ংকর পাল্টা জবাবের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশের দিকে নোংরা ও রক্তাক্ত হাত বাড়িয়েছে জায়নবাদীরা। আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে এবার তারা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নিজেদের শয়তানি প্রকৃতির প্রকাশ ঘটাল। তাদের এর শাস্তি পেতেই হবে। আর সেই শাস্তি হবে কঠোর। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বলিষ্ঠ বাহু কখনোই জায়নবাদীদের ছেড়ে দেবে না। শত্রুদের হামলায় আমাদের কয়েকজন কমান্ডার ও বিজ্ঞানী শহীদ হয়েছেন। ইনশা আল্লাহ তাঁদের উত্তরসূরিরা দ্রুতই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।’
এ সময় ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে খামেনি বলেন, ‘ইরানে হামলা চালিয়ে জায়নবাদীরা নিজেদের জন্য এক তিক্ত ও বেদনাদায়ক পরিণতি নির্ধারণ করে নিয়েছে। নিঃসন্দেহে সেই পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।’
খামেনির এই বিবৃতি প্রকাশের আগেই সব স্কুল-কলেজ-অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টায় এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র। ইরানে হামলা চালানোর পরপরই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েল।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের প্রতিরক্ষানীতিতে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনা হবে। আর এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, দেশের সব অঞ্চলকে পূর্ণমাত্রার সক্রিয় অবস্থা থেকে প্রয়োজনীয় মাত্রার সক্রিয় অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হবে।’
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।