
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত মেজবান ২০২৫ অনুষ্ঠানে কমিউনিটি সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ নাইম আবদুল্লাহকে সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।
আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তাঁকে সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ কমিউনিটির উন্নয়নে নিবেদিত ভূমিকা, সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করে চলেছে। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সৈয়দ আকরাম উল্লাহ ও পাবলিকেশন সেক্রেটারি সাদিয়া হক তাঁর হাতে সম্মাননা সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
তারা বলেন, কমিউনিটির কল্যাণে যেসব ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নিরলসভাবে কাজ করছে, তাদেরকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আরও অনুপ্রাণিত করা হবে।
উল্লেখ্য, মেজবান ২০২৫ সিডনির বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এক মহামিলনমেলায় রূপ নেয়। যেখানে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাবার পরিবেশন ও নানা আয়োজন। এতে হাজারো প্রবাসী অংশগ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত মেজবান ২০২৫ অনুষ্ঠানে কমিউনিটি সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ নাইম আবদুল্লাহকে সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।
আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তাঁকে সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ কমিউনিটির উন্নয়নে নিবেদিত ভূমিকা, সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করে চলেছে। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সৈয়দ আকরাম উল্লাহ ও পাবলিকেশন সেক্রেটারি সাদিয়া হক তাঁর হাতে সম্মাননা সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
তারা বলেন, কমিউনিটির কল্যাণে যেসব ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নিরলসভাবে কাজ করছে, তাদেরকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আরও অনুপ্রাণিত করা হবে।
উল্লেখ্য, মেজবান ২০২৫ সিডনির বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এক মহামিলনমেলায় রূপ নেয়। যেখানে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাবার পরিবেশন ও নানা আয়োজন। এতে হাজারো প্রবাসী অংশগ্রহণ করেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।