
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুলসংখ্যক সাধারণ নাগরিক ইসরায়েল ও ইরান থেকে কীভাবে বের হওয়া যায় সে বিষয়ে তথ্য চাইছে। শুক্রবার (২০ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের দূতাবাস থেকে ৭৯ জন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নিয়েছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ খবর দিয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ মেমোতে বলা হয়েছে, এ সপ্তাহে দ্বিতীয়বার তেল আবিব থেকে সামরিক ফ্লাইট বুলগেরিয়ার সোফিয়ায় গেছে। যেখানে যাত্রীদের কিছু অংশ বা সকলের ওয়াশিংটনে যাওয়ার জন্য একটি চার্টার্ড ফ্লাইট ধরার কথা ছিল।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের হাতে আসা নথিতে আরও বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র শুক্রবারই ইসরায়েলে থাকা ৬ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অনলাইনে একটি ফরম পূরণ করেছেন। তারা জানতে চেয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কবে এবং তাদের সরিয়ে নিতে আদৌ কোনো ফ্লাইটের ব্যবস্থা করবে কি না। এ ছাড়া, আরও ৩ হাজার ২৬৫ জন জরুরি নম্বরে ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন। তাদের মধ্যে কিছু হয়তো একই ফরমও পূরণ করেছিলেন।
নথিতে অনুমান করা হয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইসরায়েল থেকে আমেরিকানদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ফ্লাইট বা জাহাজের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেয়—যে কথা ইসরায়েলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেছেন, যে বিবেচনা করা হচ্ছে—তবে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ জনকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুলসংখ্যক সাধারণ নাগরিক ইসরায়েল ও ইরান থেকে কীভাবে বের হওয়া যায় সে বিষয়ে তথ্য চাইছে। শুক্রবার (২০ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের দূতাবাস থেকে ৭৯ জন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নিয়েছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ খবর দিয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ মেমোতে বলা হয়েছে, এ সপ্তাহে দ্বিতীয়বার তেল আবিব থেকে সামরিক ফ্লাইট বুলগেরিয়ার সোফিয়ায় গেছে। যেখানে যাত্রীদের কিছু অংশ বা সকলের ওয়াশিংটনে যাওয়ার জন্য একটি চার্টার্ড ফ্লাইট ধরার কথা ছিল।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের হাতে আসা নথিতে আরও বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র শুক্রবারই ইসরায়েলে থাকা ৬ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অনলাইনে একটি ফরম পূরণ করেছেন। তারা জানতে চেয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কবে এবং তাদের সরিয়ে নিতে আদৌ কোনো ফ্লাইটের ব্যবস্থা করবে কি না। এ ছাড়া, আরও ৩ হাজার ২৬৫ জন জরুরি নম্বরে ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন। তাদের মধ্যে কিছু হয়তো একই ফরমও পূরণ করেছিলেন।
নথিতে অনুমান করা হয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইসরায়েল থেকে আমেরিকানদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ফ্লাইট বা জাহাজের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেয়—যে কথা ইসরায়েলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেছেন, যে বিবেচনা করা হচ্ছে—তবে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ জনকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।