
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির যেকোনো সিদ্ধান্তে লেবাননকে সমর্থন দেবে ইরান।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন। ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার মুখে তেহরানের পক্ষ থেকে এ সংঘাত থামানোর ইঙ্গিত দেওয়া হলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বৈরুত থেকে এ খবর দিয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার উপদেষ্টা আলী লারিজানি সম্প্রতি বৈরুত সফর করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরির কাছে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির খসড়া প্রস্তাব দেন লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁকে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনার জন্য সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ খসড়া প্রস্তাবটি ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রথম লিখিত প্রস্তাব।
ওই প্রস্তাবে কী আছে, তার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। বেরির সঙ্গে সাক্ষাতের পর লারিজানি বলেন, লেবাননের স্পিকার তাঁকে খসড়া প্রস্তাব সম্পর্কে ভালোভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে তিনি বাগড়া দিতে আসেননি। তিনি বরং লেবাননের সিদ্ধান্তে সমর্থন দেবেন।
আরও পড়ুন

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির যেকোনো সিদ্ধান্তে লেবাননকে সমর্থন দেবে ইরান।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন। ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার মুখে তেহরানের পক্ষ থেকে এ সংঘাত থামানোর ইঙ্গিত দেওয়া হলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বৈরুত থেকে এ খবর দিয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার উপদেষ্টা আলী লারিজানি সম্প্রতি বৈরুত সফর করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরির কাছে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির খসড়া প্রস্তাব দেন লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁকে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনার জন্য সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ খসড়া প্রস্তাবটি ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রথম লিখিত প্রস্তাব।
ওই প্রস্তাবে কী আছে, তার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। বেরির সঙ্গে সাক্ষাতের পর লারিজানি বলেন, লেবাননের স্পিকার তাঁকে খসড়া প্রস্তাব সম্পর্কে ভালোভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে তিনি বাগড়া দিতে আসেননি। তিনি বরং লেবাননের সিদ্ধান্তে সমর্থন দেবেন।
আরও পড়ুন
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।