
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানে নতুন করে হামলার ঘোষণা দেওয়ার পর পর দেশটির রাজধানী তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে কারাজ শহরের পাশেও।
লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল মায়াদেনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, কারাজ শহর এবং এর উপকণ্ঠে আকাশে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে অভিযান শুরুর কথা নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। এক এক্স পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হলেও লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানে নতুন করে হামলার ঘোষণা দেওয়ার পর পর দেশটির রাজধানী তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে কারাজ শহরের পাশেও।
লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল মায়াদেনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, কারাজ শহর এবং এর উপকণ্ঠে আকাশে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে অভিযান শুরুর কথা নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। এক এক্স পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হলেও লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।