
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন , আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে তেহরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায় তবে তারা নজিরবিহীন আক্রমণের মুখোমুখি হবে। ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া ভাষণে গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তিনি এ কথা বলেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
নেতানিয়াহু বলেন, তেল আবিব ইরানকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের পর বর্তমানে সেখানে একটি অস্থির শান্ত অবস্থা বিরাজ করছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যদি তারা ভুল করে এবং আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা এমন শক্তি দিয়ে পাল্টা আঘাত করব যা তারা আগে কখনো অনুভব করেনি।’’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘ইরানের ভবিষ্যৎ কী তা কেউ বলতে পারে না, তবে এটি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।’’
আমেরিকা যখন পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরিয়ে আনছে, ঠিক তখনই এই মন্তব্যগুলো সামনে এলো। ইরান সরকারের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়ন চালানোর পর তেহরানের সঙ্গে আমেরিকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অ্যাক্টিভিস্টরা আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো দমন-পীড়নে অন্তত ৪ হাজার ২৯ জন নিহত হয়েছে। আমেরিকাভিত্তিক ‘হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি’ জানিয়েছে, এই দমন-পীড়নের সময় ২৬ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন , আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে তেহরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায় তবে তারা নজিরবিহীন আক্রমণের মুখোমুখি হবে। ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া ভাষণে গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তিনি এ কথা বলেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
নেতানিয়াহু বলেন, তেল আবিব ইরানকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের পর বর্তমানে সেখানে একটি অস্থির শান্ত অবস্থা বিরাজ করছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যদি তারা ভুল করে এবং আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা এমন শক্তি দিয়ে পাল্টা আঘাত করব যা তারা আগে কখনো অনুভব করেনি।’’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘ইরানের ভবিষ্যৎ কী তা কেউ বলতে পারে না, তবে এটি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।’’
আমেরিকা যখন পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরিয়ে আনছে, ঠিক তখনই এই মন্তব্যগুলো সামনে এলো। ইরান সরকারের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়ন চালানোর পর তেহরানের সঙ্গে আমেরিকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অ্যাক্টিভিস্টরা আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো দমন-পীড়নে অন্তত ৪ হাজার ২৯ জন নিহত হয়েছে। আমেরিকাভিত্তিক ‘হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি’ জানিয়েছে, এই দমন-পীড়নের সময় ২৬ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।