
মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও বেশি করে যুক্ত করার প্রত্যয় থেকে বাংলাদেশ সরকার গত বছর প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় কানাডার রাজধানী অটোয়ায় প্রবাসীদের জন্য অনলাইন ও অফলাইনে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এম এম নাসির উদ্দিন প্রবাসীদের দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ এবং তাদের সহজ ও সাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য কমিশন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র তখনই অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় যখন সব নাগরিক যেখানেই থাকুক না কেন, অংশ নিতে পারে।’
প্রবাসীদের ভোটাধিকার সহজলভ্য করার সাম্প্রতিক আহ্বানের প্রতিধ্বনি করে তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণেও তাদের সরাসরি মতামত রাখার সুযোগ থাকা উচিত।
তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কানাডায় বসবাসরত কয়েকজন নিবন্ধিত বাংলাদেশি নাগরিকের হাতে স্মার্ট এনআইডি কার্ড তুলে দেন। যা কানাডায় এ সেবার আনুষ্ঠানিক সূচনাকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নতুন এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রবাসীরা বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করতে পারবেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো কানাডা। এ কর্মসূচির আওতায় কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং টরন্টোতে কনস্যুলেট জেনারেলে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংগ্রহ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার কাজী রাসেল পারভেজ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডেপুটি হাইকমিশনার দেওয়ান হোসনে আয়ুব।

দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও বেশি করে যুক্ত করার প্রত্যয় থেকে বাংলাদেশ সরকার গত বছর প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় কানাডার রাজধানী অটোয়ায় প্রবাসীদের জন্য অনলাইন ও অফলাইনে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এম এম নাসির উদ্দিন প্রবাসীদের দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ এবং তাদের সহজ ও সাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য কমিশন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র তখনই অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় যখন সব নাগরিক যেখানেই থাকুক না কেন, অংশ নিতে পারে।’
প্রবাসীদের ভোটাধিকার সহজলভ্য করার সাম্প্রতিক আহ্বানের প্রতিধ্বনি করে তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণেও তাদের সরাসরি মতামত রাখার সুযোগ থাকা উচিত।
তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কানাডায় বসবাসরত কয়েকজন নিবন্ধিত বাংলাদেশি নাগরিকের হাতে স্মার্ট এনআইডি কার্ড তুলে দেন। যা কানাডায় এ সেবার আনুষ্ঠানিক সূচনাকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নতুন এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রবাসীরা বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করতে পারবেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো কানাডা। এ কর্মসূচির আওতায় কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং টরন্টোতে কনস্যুলেট জেনারেলে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংগ্রহ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার কাজী রাসেল পারভেজ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডেপুটি হাইকমিশনার দেওয়ান হোসনে আয়ুব।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।