
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ২০তম মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ব্রান্ডিং শোকেস ২০২৫–এ অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ।

কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে (কেএলসিসি) তিন দিনব্যাপী (৪-৬ ডিসেম্বর) আয়োজিত এ আসরে ওয়েলনেস অ্যান্ড বিউটি কেয়ার, স্মার্ট যন্ত্রপাতি ও স্মার্ট পণ্য, খাদ্য ও পানীয়, চা সংস্কৃতি, ফ্যাশন পোশাক, ফেব্রিকস এবং চামড়াজাত পণ্য, গৃহস্থালীর সাজসজ্জার সামগ্রী, উপহার ও ভোগ্যপণ্যসহ মোট ৬টি ক্লাস্টারে চীন, ইন্দোনেশিয়া, কোরিয়া, তাইওয়ান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। মালয়েশিয়ার এই আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে তৃতীয়বারের মতো অংশ নিল বাংলাদেশ।

মেলার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী অতিথিদের নিয়ে মেলার অন্য স্টলসহ বাংলাদেশের ২টি স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনের স্টলে আগত ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদেরকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য সম্পর্কে অবহিত করেন।

পরিদর্শনের সময় আয়োজক প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়া প্রোমাস ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং ইএস ইভেন্ট ম্যনেজমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দাতো চং চং তিক ও প্রতিষ্ঠানের অন্য প্রতিনিধি, ইনভেস্ট সেলাংগরের ম্যানেজার অং চিং চিং, অংশগ্রহণকারী ২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানে ২টি বুথে বাংলাদেশের খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান 'প্রাণ' এবং পাটজাত পণ্য প্রস্তুত/বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান 'জুটেক্স' এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের বুথে পাটজাত পণ্য, সিরামিকস সামগ্রী, ঔষধসামগ্রী, চামড়াজাত পণ্য, খাদ্য ও পানীয় সামগ্রীসহ রপ্তানিযোগ্য বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ২০তম মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ব্রান্ডিং শোকেস ২০২৫–এ অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ।

কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে (কেএলসিসি) তিন দিনব্যাপী (৪-৬ ডিসেম্বর) আয়োজিত এ আসরে ওয়েলনেস অ্যান্ড বিউটি কেয়ার, স্মার্ট যন্ত্রপাতি ও স্মার্ট পণ্য, খাদ্য ও পানীয়, চা সংস্কৃতি, ফ্যাশন পোশাক, ফেব্রিকস এবং চামড়াজাত পণ্য, গৃহস্থালীর সাজসজ্জার সামগ্রী, উপহার ও ভোগ্যপণ্যসহ মোট ৬টি ক্লাস্টারে চীন, ইন্দোনেশিয়া, কোরিয়া, তাইওয়ান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। মালয়েশিয়ার এই আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে তৃতীয়বারের মতো অংশ নিল বাংলাদেশ।

মেলার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী অতিথিদের নিয়ে মেলার অন্য স্টলসহ বাংলাদেশের ২টি স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনের স্টলে আগত ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদেরকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য সম্পর্কে অবহিত করেন।

পরিদর্শনের সময় আয়োজক প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়া প্রোমাস ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং ইএস ইভেন্ট ম্যনেজমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দাতো চং চং তিক ও প্রতিষ্ঠানের অন্য প্রতিনিধি, ইনভেস্ট সেলাংগরের ম্যানেজার অং চিং চিং, অংশগ্রহণকারী ২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানে ২টি বুথে বাংলাদেশের খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান 'প্রাণ' এবং পাটজাত পণ্য প্রস্তুত/বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান 'জুটেক্স' এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের বুথে পাটজাত পণ্য, সিরামিকস সামগ্রী, ঔষধসামগ্রী, চামড়াজাত পণ্য, খাদ্য ও পানীয় সামগ্রীসহ রপ্তানিযোগ্য বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।