
বিডিজেন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে প্রবাসী সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিউসি) থেকে সম্মাননা পেয়েছেন সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ।
রোববার (২ নভেম্বর) এএমডব্লিউসি আয়োজিত সানডে মাদরাসা স্পোর্টস ও ফান ডে অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণী পর্বে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সেন্টারের সভাপতি ড. আনিসুল আফসার ও সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর খান মুন আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ট্রফি তুলে দেন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে বসবাসরত নাইম আবদুল্লাহ বাংলাদেশ ও প্রবাসী কমিউনিটির সংযোগ স্থাপন, প্রবাসীদের অর্জন ও সমস্যাগুলোকে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে ভূমিকা রেখে আসছেন। তার সংবাদ পরিবেশনা ও প্রবাসী সাংবাদিকতায় নিষ্ঠা প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।
সম্মাননা গ্রহণ শেষে নাইম আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসে থেকেও সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশ ও কমিউনিটির সেবা করার সুযোগ আমার জন্য গর্বের। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।’
অনুষ্ঠানে এএমডব্লিউসির কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্যবৃন্দ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসবে ছিল নানা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, শিশুদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে প্রবাসী সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিউসি) থেকে সম্মাননা পেয়েছেন সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ।
রোববার (২ নভেম্বর) এএমডব্লিউসি আয়োজিত সানডে মাদরাসা স্পোর্টস ও ফান ডে অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণী পর্বে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সেন্টারের সভাপতি ড. আনিসুল আফসার ও সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর খান মুন আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ট্রফি তুলে দেন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে বসবাসরত নাইম আবদুল্লাহ বাংলাদেশ ও প্রবাসী কমিউনিটির সংযোগ স্থাপন, প্রবাসীদের অর্জন ও সমস্যাগুলোকে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে ভূমিকা রেখে আসছেন। তার সংবাদ পরিবেশনা ও প্রবাসী সাংবাদিকতায় নিষ্ঠা প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।
সম্মাননা গ্রহণ শেষে নাইম আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসে থেকেও সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশ ও কমিউনিটির সেবা করার সুযোগ আমার জন্য গর্বের। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।’
অনুষ্ঠানে এএমডব্লিউসির কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্যবৃন্দ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসবে ছিল নানা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, শিশুদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।