
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যাল ২০২৫। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাংয়ে ক্রাফট কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী এই ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে।
ফেস্টিভ্যালের তথ্য জানাতে গতকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুয়ালালামপুরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে আয়োজক সংগঠন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ফেস্টিভ্যাল আয়োজক সংগঠন 'মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি জানান, এই ফেস্টিভ্যালের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশকে মালয়েশিয়াতে নতুন ভাবে তুলে ধরা। অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রবাসীদের গৌরব ও উদ্ভাবনকে সবার সামনে উপস্থাপন এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করা। প্রবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা।
পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর ফিরোজ।
সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের রুহুল আমিন সরকার, মাহফুজ কায়সার অপু, মহুয়া রায় চৌধুরী, ওয়াসিম হাসান রেজা, মো. কাজী নজরুল ইসলাম ও জেসমিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফেস্টিভ্যালের আয়োজকেরা জানান, সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নানা কর্মসূচিতে সাজানো হয়েছে এই উৎসব। ফেস্টিভ্যালে দেশীয় রিয়েল এস্টেট, ব্যাংক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তৈরি পোশাক, পর্যটন ও হস্তশিল্প প্রদর্শনীর বুথসহ থাকবে ঐতিহ্যবাহী দেশীয় খাবার ও স্ট্রিট ফুডের স্টল।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশটির জহুর রাজ্যের প্রিন্সেস তুংকু মরিয়ম জারাহ বিনতে মরহুম সুলতান ইস্কান্দার।
উদ্বোধন করবেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকা।

এ ছাড়া, উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, মালয়েশিয়ান অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন দেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মনির খান ও জিনিয়া জাফরিন লুইপা।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যাল ২০২৫। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাংয়ে ক্রাফট কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী এই ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে।
ফেস্টিভ্যালের তথ্য জানাতে গতকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুয়ালালামপুরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে আয়োজক সংগঠন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ফেস্টিভ্যাল আয়োজক সংগঠন 'মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি জানান, এই ফেস্টিভ্যালের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশকে মালয়েশিয়াতে নতুন ভাবে তুলে ধরা। অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রবাসীদের গৌরব ও উদ্ভাবনকে সবার সামনে উপস্থাপন এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করা। প্রবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা।
পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর ফিরোজ।
সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের রুহুল আমিন সরকার, মাহফুজ কায়সার অপু, মহুয়া রায় চৌধুরী, ওয়াসিম হাসান রেজা, মো. কাজী নজরুল ইসলাম ও জেসমিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফেস্টিভ্যালের আয়োজকেরা জানান, সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নানা কর্মসূচিতে সাজানো হয়েছে এই উৎসব। ফেস্টিভ্যালে দেশীয় রিয়েল এস্টেট, ব্যাংক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তৈরি পোশাক, পর্যটন ও হস্তশিল্প প্রদর্শনীর বুথসহ থাকবে ঐতিহ্যবাহী দেশীয় খাবার ও স্ট্রিট ফুডের স্টল।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশটির জহুর রাজ্যের প্রিন্সেস তুংকু মরিয়ম জারাহ বিনতে মরহুম সুলতান ইস্কান্দার।
উদ্বোধন করবেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকা।

এ ছাড়া, উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, মালয়েশিয়ান অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন দেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মনির খান ও জিনিয়া জাফরিন লুইপা।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।