
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে সানডে মাদরাসা ও হিফজুল কোরআন প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশেষ স্পোর্টস ও ফান অ্যাকটিভিটি ডে।
আজ রোববার (২ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বিশেষ স্পোর্টস ও ফান অ্যাকটিভিটি ডে।
অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিউসি) এর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানটি সিডনির মিন্টো এলাকায় এএমডব্লিউসি প্রাঙ্গণে প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে দিনটি পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
দিনটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল সিডনিপ্রবাসী মোক্তার হোসেনের ঝালমুড়ির স্টল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোলে মাস্টার্স করা এই প্রবাসী বাংলাদেশির তৈরি ঝালমুড়ি স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়। অনুষ্ঠানে তার হাতে তৈরি ঝালমুড়ি বিক্রিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়।
সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হলো—মোক্তার হোসেন এই বিক্রয়লব্ধ সমগ্র অর্থ অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ফান্ডে দান করেন।
কমিউনিটির অনেকে তার এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘এ ধরনের সেবামূলক উদ্যোগ কমিউনিটির ঐক্য ও ভালোবাসাকে আরও সুদৃঢ় করবে।’
আয়োজকেরা জানান, এই ধরনের ইভেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন উৎসাহ পায়, তেমনি কমিউনিটির সদস্যরাও একে অপরের সঙ্গে সংযোগ ও সহযোগিতায় যুক্ত হন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে সানডে মাদরাসা ও হিফজুল কোরআন প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশেষ স্পোর্টস ও ফান অ্যাকটিভিটি ডে।
আজ রোববার (২ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বিশেষ স্পোর্টস ও ফান অ্যাকটিভিটি ডে।
অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিউসি) এর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানটি সিডনির মিন্টো এলাকায় এএমডব্লিউসি প্রাঙ্গণে প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে দিনটি পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
দিনটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল সিডনিপ্রবাসী মোক্তার হোসেনের ঝালমুড়ির স্টল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোলে মাস্টার্স করা এই প্রবাসী বাংলাদেশির তৈরি ঝালমুড়ি স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়। অনুষ্ঠানে তার হাতে তৈরি ঝালমুড়ি বিক্রিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়।
সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হলো—মোক্তার হোসেন এই বিক্রয়লব্ধ সমগ্র অর্থ অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ফান্ডে দান করেন।
কমিউনিটির অনেকে তার এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘এ ধরনের সেবামূলক উদ্যোগ কমিউনিটির ঐক্য ও ভালোবাসাকে আরও সুদৃঢ় করবে।’
আয়োজকেরা জানান, এই ধরনের ইভেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন উৎসাহ পায়, তেমনি কমিউনিটির সদস্যরাও একে অপরের সঙ্গে সংযোগ ও সহযোগিতায় যুক্ত হন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।