
এএফপি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, গত মাসে ১২ দিনের ইসরায়েলের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশটির সরকারকে উৎখাত করা।
গত বুধবার (১৬ জুলাই) বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এ বিষয়ে বলেন, ‘ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংবেদনশীল স্থাপনায় আঘাত হেনে শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করাই ছিল আগ্রাসনকারীদের পরিকল্পনা।’
ওই বৈঠকের একটি ভিডিও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওতে শোনা যায়, বক্তব্যে খামেনি বলছেন, ‘ইসরায়েলিদের এ পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং জনগণকে রাস্তায় নামিয়ে এনে সরকারকে উৎখাত করা।’
গত ১৩ জুন ইরানে বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। চলে টানা ১২ দিন। হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও পারমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন। ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
ইরান জানিয়েছে, ১২ দিন ধরে চলা হামলায় দেশটিতে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, ইরানের পাল্টা হামলায় দেশটিতে নিহত হন ২৮ জন।
হামলা ও পাল্টা হামলা চলার সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত ১৫ জুন ফক্স নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘ইরানের সরকারব্যবস্থা খুবই দুর্বল। ইসরায়েলের হামলা নিঃসন্দেহে ইরানের সরকারব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম।’
ইসরায়েলের হামলার মধ্যেই গত ২২ জুন ইরানের ফর্দো, ইস্পাহান ও নাতাঞ্জে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান।
বুধবারের বৈঠকে খামেনি এ হামলার প্রসঙ্গ টেনে সতর্ক করে বলেন, ‘এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় আঘাত। যুক্তরাষ্ট্র আর অন্যদের এর চেয়েও বড় আঘাত মোকাবিলা করতে হতে পারে।’
গত ১২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্য পারমাণবিক আলোচনা শুরু হয়েছিল। ষষ্ঠ দফার আলোচনার মাত্র ২ দিন আগে ইরানে হামলা করে বসে ইসরায়েল। হামলার জেরে পূর্বনির্ধারিত পারমাণবিক আলোচনা আর এগোয়নি।
এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতে প্রস্তুত। তবে শর্ত হলো ওয়াশিংটনকে অবশ্যই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেবে না।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, গত মাসে ১২ দিনের ইসরায়েলের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশটির সরকারকে উৎখাত করা।
গত বুধবার (১৬ জুলাই) বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এ বিষয়ে বলেন, ‘ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংবেদনশীল স্থাপনায় আঘাত হেনে শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করাই ছিল আগ্রাসনকারীদের পরিকল্পনা।’
ওই বৈঠকের একটি ভিডিও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওতে শোনা যায়, বক্তব্যে খামেনি বলছেন, ‘ইসরায়েলিদের এ পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং জনগণকে রাস্তায় নামিয়ে এনে সরকারকে উৎখাত করা।’
গত ১৩ জুন ইরানে বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। চলে টানা ১২ দিন। হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও পারমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন। ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
ইরান জানিয়েছে, ১২ দিন ধরে চলা হামলায় দেশটিতে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, ইরানের পাল্টা হামলায় দেশটিতে নিহত হন ২৮ জন।
হামলা ও পাল্টা হামলা চলার সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত ১৫ জুন ফক্স নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘ইরানের সরকারব্যবস্থা খুবই দুর্বল। ইসরায়েলের হামলা নিঃসন্দেহে ইরানের সরকারব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম।’
ইসরায়েলের হামলার মধ্যেই গত ২২ জুন ইরানের ফর্দো, ইস্পাহান ও নাতাঞ্জে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান।
বুধবারের বৈঠকে খামেনি এ হামলার প্রসঙ্গ টেনে সতর্ক করে বলেন, ‘এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় আঘাত। যুক্তরাষ্ট্র আর অন্যদের এর চেয়েও বড় আঘাত মোকাবিলা করতে হতে পারে।’
গত ১২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্য পারমাণবিক আলোচনা শুরু হয়েছিল। ষষ্ঠ দফার আলোচনার মাত্র ২ দিন আগে ইরানে হামলা করে বসে ইসরায়েল। হামলার জেরে পূর্বনির্ধারিত পারমাণবিক আলোচনা আর এগোয়নি।
এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতে প্রস্তুত। তবে শর্ত হলো ওয়াশিংটনকে অবশ্যই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেবে না।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।