
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে যুক্ত হলো এক অনন্য অধ্যায়। প্রথমবারের মতো কোনো সংসদ সদস্যের অফিসে উদ্বোধন করা হয়েছে স্ট্রিট লাইব্রেরি। যা বই, ভালোবাসা ও কমিউনিটি ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য পার্লামেন্টের হুইপ ও লেপিংটনের সংসদ সদস্য নাথান হ্যাগার্টি এমপির স্থানীয় সংসদীয় অফিসে উদ্বোধন করা হয়েছে ২০তম এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি। এটি শুধু এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি ইনকের সাফল্য নয়, বরং গোটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত —কারণ এই প্রথম কোনো পার্লামেন্ট সদস্যের অফিসে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাথান হ্যাগার্টি এমপি বলেন, এটি আমাদের নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য এক উন্মুক্ত সুযোগ। এখানে যেকেউ এসে একটি বই নিতে পারেন এবং যার হাতে বাড়তি বই আছে, তিনি রেখে যেতে পারেন। আসুন, আমাদের অফিসে আসুন, এই সুন্দর উদ্যোগের সুফল ভোগ করুন।
তিনি আরও বলেন, এটি কেবল একটি বইয়ের বাক্স নয়, এটি জ্ঞান, উদারতা ও কমিউনিটির সংযোগের প্রতীক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ম্যানস শেড ম্যাকোয়ারি ফিল্ডসের স্বেচ্ছাসেবকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এমপি সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন প্রদান করেন। এই সম্মাননা মুহূর্তটি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক ছিল।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি ইনকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও কাউন্সিলর আশ রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মিস সোনালি লুথরা, আল-ফয়সাল কলেজের অধ্যক্ষ, যাঁর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরির সৃজনশীল নকশা ও চিত্রায়ন সম্পন্ন করে।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফিল ওয়াট (ম্যানস শেড ম্যাকোয়ারি ফিল্ডস), মোয়ানা ও ডায়ানা (হ্যান্ডস অন হার্টস) এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট সদস্য মো. শফিকুল আলম, কাইসার আহমেদ, তামান্না রহমান, জুঁই সেন পাল, হিমেল মাহমুদ অর্ণব ও মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি ইনকের সভাপতি কামাল পাশা বলেন, আমরা করোনা মহামারির সময় শুরু করেছিলাম বই বিনিময়ের এই মানবিক যাত্রা। পাঁচ বছর পর আজ এই উদ্যোগ অস্ট্রেলিয়ান স্টেট পার্লামেন্টের স্থানীয় কার্যলয়ে পৌঁছে গেছে—এটা শুধু আমাদের নয়, সমগ্র কমিউনিটির অর্জন। বই, ভালোবাসা ও ঐক্যের এই আন্দোলন এখানেই শেষ নয়, এটি অগ্রযাত্রার নতুন অধ্যায়।

এই অনন্য উদ্যোগ শুধু পাঠাভ্যাস বাড়াবে না, বরং সমাজে একতা, উদারতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার চেতনা জাগিয়ে তুলবে। এটি অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজের এক সুন্দর প্রতিফলন।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে যুক্ত হলো এক অনন্য অধ্যায়। প্রথমবারের মতো কোনো সংসদ সদস্যের অফিসে উদ্বোধন করা হয়েছে স্ট্রিট লাইব্রেরি। যা বই, ভালোবাসা ও কমিউনিটি ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য পার্লামেন্টের হুইপ ও লেপিংটনের সংসদ সদস্য নাথান হ্যাগার্টি এমপির স্থানীয় সংসদীয় অফিসে উদ্বোধন করা হয়েছে ২০তম এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি। এটি শুধু এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি ইনকের সাফল্য নয়, বরং গোটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত —কারণ এই প্রথম কোনো পার্লামেন্ট সদস্যের অফিসে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাথান হ্যাগার্টি এমপি বলেন, এটি আমাদের নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য এক উন্মুক্ত সুযোগ। এখানে যেকেউ এসে একটি বই নিতে পারেন এবং যার হাতে বাড়তি বই আছে, তিনি রেখে যেতে পারেন। আসুন, আমাদের অফিসে আসুন, এই সুন্দর উদ্যোগের সুফল ভোগ করুন।
তিনি আরও বলেন, এটি কেবল একটি বইয়ের বাক্স নয়, এটি জ্ঞান, উদারতা ও কমিউনিটির সংযোগের প্রতীক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ম্যানস শেড ম্যাকোয়ারি ফিল্ডসের স্বেচ্ছাসেবকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এমপি সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন প্রদান করেন। এই সম্মাননা মুহূর্তটি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক ছিল।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি ইনকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও কাউন্সিলর আশ রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মিস সোনালি লুথরা, আল-ফয়সাল কলেজের অধ্যক্ষ, যাঁর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরির সৃজনশীল নকশা ও চিত্রায়ন সম্পন্ন করে।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফিল ওয়াট (ম্যানস শেড ম্যাকোয়ারি ফিল্ডস), মোয়ানা ও ডায়ানা (হ্যান্ডস অন হার্টস) এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট সদস্য মো. শফিকুল আলম, কাইসার আহমেদ, তামান্না রহমান, জুঁই সেন পাল, হিমেল মাহমুদ অর্ণব ও মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি ইনকের সভাপতি কামাল পাশা বলেন, আমরা করোনা মহামারির সময় শুরু করেছিলাম বই বিনিময়ের এই মানবিক যাত্রা। পাঁচ বছর পর আজ এই উদ্যোগ অস্ট্রেলিয়ান স্টেট পার্লামেন্টের স্থানীয় কার্যলয়ে পৌঁছে গেছে—এটা শুধু আমাদের নয়, সমগ্র কমিউনিটির অর্জন। বই, ভালোবাসা ও ঐক্যের এই আন্দোলন এখানেই শেষ নয়, এটি অগ্রযাত্রার নতুন অধ্যায়।

এই অনন্য উদ্যোগ শুধু পাঠাভ্যাস বাড়াবে না, বরং সমাজে একতা, উদারতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার চেতনা জাগিয়ে তুলবে। এটি অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজের এক সুন্দর প্রতিফলন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।