
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের ইস্পাহান শহরে পারমাণবিক স্থাপনায় আজ শনিবার (২১ জুন) ভোরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসি বলছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার জবাব দিয়েছে। এ কারণে ইস্পাহানে জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েলের এ হামলার ফলে ইস্পাহানে পারমাণবিক স্থাপনা থেকে কোনো বিপজ্জনক পদার্থ ছড়িয়ে পড়েনি। যদিও সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে এ পর্যন্ত কোনো তথ্য জানাতে পারেনি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
এদিকে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাতভর ইরানের মধ্যাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এবং স্থাপনায় ‘ধারাবাহিক হামলা’ চালিয়েছে।
২০০৪ সালে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর ইস্পাহান কেন্দ্রে শিল্পপর্যায়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়।
ইস্পাহান কেন্দ্রটিতে একটি পারমাণবিক জ্বালানি প্রস্তুতকারক কারখানাও রয়েছে, যা ২০০৯ সালে উদ্বোধন করা হয়। এখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য স্বল্প সমৃদ্ধ জ্বালানি উৎপাদন করা হয়।
২০২২ সালের জুলাইয়ে ইরান ঘোষণা দেয়, তারা ইস্পাহানে একটি নতুন গবেষণা চুল্লি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে।

ইরানের ইস্পাহান শহরে পারমাণবিক স্থাপনায় আজ শনিবার (২১ জুন) ভোরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসি বলছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার জবাব দিয়েছে। এ কারণে ইস্পাহানে জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েলের এ হামলার ফলে ইস্পাহানে পারমাণবিক স্থাপনা থেকে কোনো বিপজ্জনক পদার্থ ছড়িয়ে পড়েনি। যদিও সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে এ পর্যন্ত কোনো তথ্য জানাতে পারেনি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
এদিকে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাতভর ইরানের মধ্যাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এবং স্থাপনায় ‘ধারাবাহিক হামলা’ চালিয়েছে।
২০০৪ সালে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর ইস্পাহান কেন্দ্রে শিল্পপর্যায়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়।
ইস্পাহান কেন্দ্রটিতে একটি পারমাণবিক জ্বালানি প্রস্তুতকারক কারখানাও রয়েছে, যা ২০০৯ সালে উদ্বোধন করা হয়। এখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য স্বল্প সমৃদ্ধ জ্বালানি উৎপাদন করা হয়।
২০২২ সালের জুলাইয়ে ইরান ঘোষণা দেয়, তারা ইস্পাহানে একটি নতুন গবেষণা চুল্লি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।