

বিডিজেন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূল থেকে ৩৪ জন নারী ও ৬ শিশুসহ ৪৯৯ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
খবর বার্তা সংস্থা সিনহুয়া/ইউএনবির।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) এসব অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
২৯ জন অভিবাসী নিখোঁজের কথা উল্লেখ করে আইওএম আরও জানিয়েছে, গত ৮ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ৪৯৯ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৩৪৩ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই সংখ্যাটি গত বছরের তুলনায় ৪ হাজারেরও বেশি।
আইওএমর তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুটে ৬৩৫ জন নিহত এবং ৯৮২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ও নিহতদের মধ্যে লিবিয়া এবং অন্য দেশ থেকে পালিয়ে আসা নাগরিকেরা রয়েছেন।
২০১১ সাল থেকে অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী ইউরোপের উপকূলে যাওয়ার জন্য লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে।

লিবিয়া উপকূল থেকে ৩৪ জন নারী ও ৬ শিশুসহ ৪৯৯ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
খবর বার্তা সংস্থা সিনহুয়া/ইউএনবির।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) এসব অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
২৯ জন অভিবাসী নিখোঁজের কথা উল্লেখ করে আইওএম আরও জানিয়েছে, গত ৮ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ৪৯৯ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৩৪৩ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই সংখ্যাটি গত বছরের তুলনায় ৪ হাজারেরও বেশি।
আইওএমর তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুটে ৬৩৫ জন নিহত এবং ৯৮২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ও নিহতদের মধ্যে লিবিয়া এবং অন্য দেশ থেকে পালিয়ে আসা নাগরিকেরা রয়েছেন।
২০১১ সাল থেকে অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী ইউরোপের উপকূলে যাওয়ার জন্য লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।