
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে শেষ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপো ২০২৫।
সিডনির গুলবার্ন স্ট্রিটের ম্যাসনিক সেন্টারে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের এই এক্সপো শেষ হয় আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর)।

আজ দিনের শুরুতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলসের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী অনুলাক চান্থিভং এমপি।
তিনি প্রদর্শনীর স্টল পরিদর্শন করেন এবং দুই দেশের উদ্যোক্তা, নীতি নির্ধারক ও স্টল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার হলে নতুন ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হবে।’

আজ দিনজুড়ে এক্সপোতে অনুষ্ঠিত হয় তিনটি পৃথক প্যানেল আলোচনা।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত প্রথম সেশনে ‘বিল্ডিং টুমরো: ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং পার্টনারশিপস ফর গ্রোথ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি মেয়র ডার্সি লন্ড, বাংলাদেশের কর্ণফুলি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সামিউর ইসলাম, স্প্যারো গ্রুপের চেয়ারম্যান শোভন ইসলাম ও কাম্বারল্যান্ড সিটি কাউন্সিলের ম্যানেজার ক্রিস মানোস্কি।

দুপুরে অস্ট্রেড আয়োজিত শিক্ষাখাতভিত্তিক বিশেষ আলোচনায় বক্তব্য দেন স্টাডি এনএসডব্লিউ-এর অ্যাসোসিয়েট ডাইরেক্টর ভিকি ক্লেয়ার, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ড. সবুর খান ও ম্যাকোয়ারি ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক নিয়োগ পরিচালক তানভীর শাহিদ।
এ সেশন পরিচালনা করেন অস্ট্রেড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মেঘা গুপ্তা।
প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন স্প্যারো গ্রুপের চেয়ারম্যান শোভন ইসলাম ও ডাব্বো কাউন্সিলর শিবলী চৌধুরী প্রমুখ।

বিকেলের আলোচনায় উঠে আসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সম্ভাবনা। ‘পাওয়ারিং পার্টনারশিপস: অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ ইন দ্য রিনিউয়েবল এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক সেশনে অংশ নেন অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর ডেভ শর্মা, রিভারি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক, ডাব্বো রিজিওনাল কাউন্সিল ডিরেক্টর জেসিকা ব্রাউন, স্মার্ট এনার্জি অস্ট্রেলিয়ার উইল কার ও এনএসডব্লিউ সরকারের ক্লিন এনার্জি বিভাগের পরিচালক টিম স্টক।
উপস্থিত ছিলেন ডাব্বো কাউন্সিলর শিবলী চৌধুরী ও কাউন্সিল ডিরেক্টর জেসিকা ব্রাউন।
এক্সপোর সমাপনীতে আয়োজকেরা জানান, এই উদ্যোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বহুমাত্রিক সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে শেষ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপো ২০২৫।
সিডনির গুলবার্ন স্ট্রিটের ম্যাসনিক সেন্টারে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের এই এক্সপো শেষ হয় আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর)।

আজ দিনের শুরুতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলসের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী অনুলাক চান্থিভং এমপি।
তিনি প্রদর্শনীর স্টল পরিদর্শন করেন এবং দুই দেশের উদ্যোক্তা, নীতি নির্ধারক ও স্টল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার হলে নতুন ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হবে।’

আজ দিনজুড়ে এক্সপোতে অনুষ্ঠিত হয় তিনটি পৃথক প্যানেল আলোচনা।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত প্রথম সেশনে ‘বিল্ডিং টুমরো: ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং পার্টনারশিপস ফর গ্রোথ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি মেয়র ডার্সি লন্ড, বাংলাদেশের কর্ণফুলি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সামিউর ইসলাম, স্প্যারো গ্রুপের চেয়ারম্যান শোভন ইসলাম ও কাম্বারল্যান্ড সিটি কাউন্সিলের ম্যানেজার ক্রিস মানোস্কি।

দুপুরে অস্ট্রেড আয়োজিত শিক্ষাখাতভিত্তিক বিশেষ আলোচনায় বক্তব্য দেন স্টাডি এনএসডব্লিউ-এর অ্যাসোসিয়েট ডাইরেক্টর ভিকি ক্লেয়ার, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ড. সবুর খান ও ম্যাকোয়ারি ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক নিয়োগ পরিচালক তানভীর শাহিদ।
এ সেশন পরিচালনা করেন অস্ট্রেড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মেঘা গুপ্তা।
প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন স্প্যারো গ্রুপের চেয়ারম্যান শোভন ইসলাম ও ডাব্বো কাউন্সিলর শিবলী চৌধুরী প্রমুখ।

বিকেলের আলোচনায় উঠে আসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সম্ভাবনা। ‘পাওয়ারিং পার্টনারশিপস: অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ ইন দ্য রিনিউয়েবল এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক সেশনে অংশ নেন অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর ডেভ শর্মা, রিভারি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক, ডাব্বো রিজিওনাল কাউন্সিল ডিরেক্টর জেসিকা ব্রাউন, স্মার্ট এনার্জি অস্ট্রেলিয়ার উইল কার ও এনএসডব্লিউ সরকারের ক্লিন এনার্জি বিভাগের পরিচালক টিম স্টক।
উপস্থিত ছিলেন ডাব্বো কাউন্সিলর শিবলী চৌধুরী ও কাউন্সিল ডিরেক্টর জেসিকা ব্রাউন।
এক্সপোর সমাপনীতে আয়োজকেরা জানান, এই উদ্যোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বহুমাত্রিক সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।