
বিডিজেন ডেস্ক

শ্রীলঙ্কার সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর সোমবার (১৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যদের নিয়োগ দিতে যাচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে।
নির্বাচনে জয়ী অনূঢ়ার নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ারের (এনপিপি) মুখপাত্র তিলউইন সিলভা এ তথ্য জানিয়েছেন।
এনপিপি মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, ‘সোমবার আমরা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়োগ দেব। সদস্যদের সংখ্যা ২৫ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। তবে তা ২৩ বা ২৪ জনও হতে পারে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) শ্রীলঙ্কায় আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার দেশটির নির্বাচন কমিশন জানায়, অনূঢ়ার এনপিপি জোট পার্লামেন্টের ২২৫ আসনের মধ্যে ১৫৯টি পেয়েছে। এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।
বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে এনপিপি জোট ৭০ লাখ অর্থাৎ ৬২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় অনূঢ়া ৪২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। তখন পার্লামেন্টে এনপিপির আসন ছিল মাত্র ৩টি। পার্লামেন্টে নিজ জোটের আসনসংখ্যা বাড়াতে তিনি আগাম নির্বাচন দেন।
আরও পড়ুন

শ্রীলঙ্কার সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর সোমবার (১৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যদের নিয়োগ দিতে যাচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে।
নির্বাচনে জয়ী অনূঢ়ার নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ারের (এনপিপি) মুখপাত্র তিলউইন সিলভা এ তথ্য জানিয়েছেন।
এনপিপি মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, ‘সোমবার আমরা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়োগ দেব। সদস্যদের সংখ্যা ২৫ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। তবে তা ২৩ বা ২৪ জনও হতে পারে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) শ্রীলঙ্কায় আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার দেশটির নির্বাচন কমিশন জানায়, অনূঢ়ার এনপিপি জোট পার্লামেন্টের ২২৫ আসনের মধ্যে ১৫৯টি পেয়েছে। এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।
বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে এনপিপি জোট ৭০ লাখ অর্থাৎ ৬২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় অনূঢ়া ৪২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। তখন পার্লামেন্টে এনপিপির আসন ছিল মাত্র ৩টি। পার্লামেন্টে নিজ জোটের আসনসংখ্যা বাড়াতে তিনি আগাম নির্বাচন দেন।
আরও পড়ুন
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।