
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর দুই কমান্ডার নিহত হয়েছেন। দুই কমান্ডারের একজন আহমেদ মুস্তাফা আলহাজ আলী। আরেকজন মুহাম্মাদ আলী হামদান।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) এ দাবি করেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, আহমেদ মুস্তাফা আলহাজ আলী উত্তর ইসরায়েলের খায়রাত শমোনা শহরে হাজারো রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ট্যাংক নিক্ষেপের জন্য দায়ী ছিলেন। আর মুহাম্মাদ আলী হামদান উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী ছিলেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা বৈরুতের বিভিন্ন অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছে। রাতভর দক্ষিণ লেবাননের অন্য সামরিক অবকাঠামোতেও হামলা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা বৈরুতের বিভিন্ন অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছে। রাতভর দক্ষিণ লেবাননের অন্য সামরিক অবকাঠামোতেও হামলা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে লেবাননে বুধবার রাতেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ছিল। বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মী।
ওয়ারদানিয়েহ শহরে হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। লেবাননের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, টায়ার এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। বালবেক অঞ্চলে নিহত হয়েছেন চারজন।
এএফপির এক খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা লেবাননে স্থল হামলার পরিসর বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার লেবাননের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও হামলা শুরু করেছে তারা। তবে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হিজবুল্লাহর অবস্থান ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করে সেনারা।
হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার তিন দিন পর ৩০ সেপ্টেম্বর দেশটির দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে ঢুকে ইসরায়েলি সেনারা স্থল হামলা শুরু করে। বিমান হামলার পাশাপাশি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লেবাননে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সম্মুখ লড়াই চলছে।
সূত্র: আল জাজিরা

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর দুই কমান্ডার নিহত হয়েছেন। দুই কমান্ডারের একজন আহমেদ মুস্তাফা আলহাজ আলী। আরেকজন মুহাম্মাদ আলী হামদান।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) এ দাবি করেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, আহমেদ মুস্তাফা আলহাজ আলী উত্তর ইসরায়েলের খায়রাত শমোনা শহরে হাজারো রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ট্যাংক নিক্ষেপের জন্য দায়ী ছিলেন। আর মুহাম্মাদ আলী হামদান উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী ছিলেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা বৈরুতের বিভিন্ন অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছে। রাতভর দক্ষিণ লেবাননের অন্য সামরিক অবকাঠামোতেও হামলা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা বৈরুতের বিভিন্ন অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছে। রাতভর দক্ষিণ লেবাননের অন্য সামরিক অবকাঠামোতেও হামলা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে লেবাননে বুধবার রাতেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ছিল। বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মী।
ওয়ারদানিয়েহ শহরে হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। লেবাননের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, টায়ার এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। বালবেক অঞ্চলে নিহত হয়েছেন চারজন।
এএফপির এক খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা লেবাননে স্থল হামলার পরিসর বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার লেবাননের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও হামলা শুরু করেছে তারা। তবে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হিজবুল্লাহর অবস্থান ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করে সেনারা।
হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার তিন দিন পর ৩০ সেপ্টেম্বর দেশটির দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে ঢুকে ইসরায়েলি সেনারা স্থল হামলা শুরু করে। বিমান হামলার পাশাপাশি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লেবাননে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সম্মুখ লড়াই চলছে।
সূত্র: আল জাজিরা
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।