
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার পর এবার যুক্তরাজ্য ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডস বুধবার (২১ জানুয়ারি) এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে অস্ট্রেলিয়ায় মতো করে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। তবে তার সরকার আইন প্রণয়নের আগে আসন্ন গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত পরামর্শ-পর্যালোচনার ফলাফল দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্টারমার বলেন, “এটি অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। আমরা বিশ্বাস করি যে, আইনের পরিবর্তন আনার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ এবং এই বিষয়ে গভীর ধারণা সংগ্রহ করাই সঠিক পদক্ষেপ হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো বিকল্পই বাদ দিচ্ছি না। শিশুদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি এবং শাসক লেবার পার্টির মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার মতো নিষেধাজ্ঞা নেওয়ার দাবি বাড়ছে। অস্ট্রেলিয়ায় গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
হাউস অব লর্ডসে এই সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন কনজারভেটিভ আইনপ্রণেতা জন ন্যাশ। প্রস্তাবটি ২৬১ ভোটের বিপরীতে ১৫০ ভোটে পাস হয়। লেবার ও লিবারাল ডেমোক্র্যাটের একজন সদস্যও এই বিলে সমর্থন করেন।
জন ন্যাশ বলেন, “এই ভোটে পার্লামেন্ট সদস্যরা আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি প্রজন্মের যে ভয়াবহ ক্ষতি করছে, এই ভোট তা বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।”
যুক্তরাজ্যের কিছু তারকা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সরকারকে এই প্রস্তাব সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের যুক্তি, শুধু মা-বাবাই শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
গত ডিসেম্বরে ইউগভের জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের ৭৪ শতাংশ নাগরিক এই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে। অনলাইন সেফটি আইন অনুযায়ী ক্ষতিকর বিষয়বস্তুতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়স যাচাই নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।

অস্ট্রেলিয়ার পর এবার যুক্তরাজ্য ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডস বুধবার (২১ জানুয়ারি) এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে অস্ট্রেলিয়ায় মতো করে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। তবে তার সরকার আইন প্রণয়নের আগে আসন্ন গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত পরামর্শ-পর্যালোচনার ফলাফল দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্টারমার বলেন, “এটি অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। আমরা বিশ্বাস করি যে, আইনের পরিবর্তন আনার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ এবং এই বিষয়ে গভীর ধারণা সংগ্রহ করাই সঠিক পদক্ষেপ হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো বিকল্পই বাদ দিচ্ছি না। শিশুদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি এবং শাসক লেবার পার্টির মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার মতো নিষেধাজ্ঞা নেওয়ার দাবি বাড়ছে। অস্ট্রেলিয়ায় গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
হাউস অব লর্ডসে এই সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন কনজারভেটিভ আইনপ্রণেতা জন ন্যাশ। প্রস্তাবটি ২৬১ ভোটের বিপরীতে ১৫০ ভোটে পাস হয়। লেবার ও লিবারাল ডেমোক্র্যাটের একজন সদস্যও এই বিলে সমর্থন করেন।
জন ন্যাশ বলেন, “এই ভোটে পার্লামেন্ট সদস্যরা আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি প্রজন্মের যে ভয়াবহ ক্ষতি করছে, এই ভোট তা বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।”
যুক্তরাজ্যের কিছু তারকা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সরকারকে এই প্রস্তাব সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের যুক্তি, শুধু মা-বাবাই শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
গত ডিসেম্বরে ইউগভের জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের ৭৪ শতাংশ নাগরিক এই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে। অনলাইন সেফটি আইন অনুযায়ী ক্ষতিকর বিষয়বস্তুতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়স যাচাই নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।