
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের তেল আবিবে হাকিরিয়া সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) সংগঠনটি জানায়, তারা সেখানে প্রথমবারের মতো হামলা করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
তবে তেল আবিব শহরের ব্যস্ততম ওই এলাকায় হামলা কিংবা এর প্রভাব–সংক্রান্ত কোনো খবর পাওয়া যায়নি। শহরে কোনো হামলার কোনো সতর্ক ধ্বনিও শোনা যায়নি।
হিজবুল্লাহর এই দাবি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি। তেল আবিবে অবস্থানরত রয়টার্সের সাংবাদিক হামলার কোনো সতর্ক ধ্বনি শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন। তা ছাড়া, সামরিক বাহিনীও এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি।
হিজবুল্লাহ হামলার দাবি করার এক ঘণ্টা পরও এর ফলাফল সম্পর্কে আর কোনো দাবি করেনি কিংবা তথ্য দেয়নি।
তেল আবিবে হাকিরিয়া সামরিক ঘাঁটি সামরিক বাহিনী ও সরকারের মূল কেন্দ্র। যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রিপরিষদসহ অনেকগুলো সামরিক ইউনিটের প্রধান কার্যালয় এটি। ঘাঁটিটি তেল আবিব শহরের ব্যস্ততম একটি এলাকায় একটি শপিং মল ও একটি রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে ইসরায়েলের আরেকটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছিল হিজবুল্লাহ। তেল আবিব শহরের উপকণ্ঠে সামরিক গোয়েন্দা ইউনিটের ওই ঘাঁটিতে হামলার পর তেল আবিবে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তবে এ হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের তেল আবিবে হাকিরিয়া সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) সংগঠনটি জানায়, তারা সেখানে প্রথমবারের মতো হামলা করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
তবে তেল আবিব শহরের ব্যস্ততম ওই এলাকায় হামলা কিংবা এর প্রভাব–সংক্রান্ত কোনো খবর পাওয়া যায়নি। শহরে কোনো হামলার কোনো সতর্ক ধ্বনিও শোনা যায়নি।
হিজবুল্লাহর এই দাবি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি। তেল আবিবে অবস্থানরত রয়টার্সের সাংবাদিক হামলার কোনো সতর্ক ধ্বনি শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন। তা ছাড়া, সামরিক বাহিনীও এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি।
হিজবুল্লাহ হামলার দাবি করার এক ঘণ্টা পরও এর ফলাফল সম্পর্কে আর কোনো দাবি করেনি কিংবা তথ্য দেয়নি।
তেল আবিবে হাকিরিয়া সামরিক ঘাঁটি সামরিক বাহিনী ও সরকারের মূল কেন্দ্র। যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রিপরিষদসহ অনেকগুলো সামরিক ইউনিটের প্রধান কার্যালয় এটি। ঘাঁটিটি তেল আবিব শহরের ব্যস্ততম একটি এলাকায় একটি শপিং মল ও একটি রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে ইসরায়েলের আরেকটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছিল হিজবুল্লাহ। তেল আবিব শহরের উপকণ্ঠে সামরিক গোয়েন্দা ইউনিটের ওই ঘাঁটিতে হামলার পর তেল আবিবে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তবে এ হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।