
বিডিজেন ডেস্ক

আজ সোমবার (১৬ জুন) ভোরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সর্বশেষ ঢেউয়ের পর ইসরায়েলের তেল আবিবের রাস্তায় আতঙ্ক, বিশৃঙ্খলা এবং উদ্বেগের চিত্র দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন এ খবর দিয়েছে।
সিএনএনের জেরুজালেম সংবাদদাতা জেরেমি ডায়মন্ড জানিয়েছেন, রাস্তাঘাট ধ্বংসাবশেষে ভরে আছে। উদ্ধারকারী ও সামরিক কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একজন নারী বলেন, তিনি বেসমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেখান থেকে হামলার ‘আঘাত অনুভব’ করেছেন।
তিনি ডায়মন্ডকে বলেন, ‘আমরা খুব ধীরে ধীরে বেরিয়ে এসেছি কারণ ভয় পেয়েছিলাম। আমরা যখন হাঁটছিলাম তখন ভবনগুলো ভেঙে পড়ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধোঁয়ার গন্ধ আসছিল...আমাকে টি-শার্ট দিয়ে নাক ঢাকতে হয়েছিল। ধোঁয়া যাতে নিশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে না ঢোকে তা নিশ্চিত করে রাস্তা ধরে হেঁটেছিলাম।’
ডায়মন্ড জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি আবাসিক ভবন আংশিকভাবে ধসে পড়েছে এবং কয়েক ব্লক দূর থেকেও ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অন্তত ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মানুষ ক্ষয়ক্ষতি দেখতে বেরিয়ে আসছে। পরিবার ও বন্ধুরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরছে। হামলার ধাক্কা বাসিন্দাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

আজ সোমবার (১৬ জুন) ভোরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সর্বশেষ ঢেউয়ের পর ইসরায়েলের তেল আবিবের রাস্তায় আতঙ্ক, বিশৃঙ্খলা এবং উদ্বেগের চিত্র দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন এ খবর দিয়েছে।
সিএনএনের জেরুজালেম সংবাদদাতা জেরেমি ডায়মন্ড জানিয়েছেন, রাস্তাঘাট ধ্বংসাবশেষে ভরে আছে। উদ্ধারকারী ও সামরিক কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একজন নারী বলেন, তিনি বেসমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেখান থেকে হামলার ‘আঘাত অনুভব’ করেছেন।
তিনি ডায়মন্ডকে বলেন, ‘আমরা খুব ধীরে ধীরে বেরিয়ে এসেছি কারণ ভয় পেয়েছিলাম। আমরা যখন হাঁটছিলাম তখন ভবনগুলো ভেঙে পড়ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধোঁয়ার গন্ধ আসছিল...আমাকে টি-শার্ট দিয়ে নাক ঢাকতে হয়েছিল। ধোঁয়া যাতে নিশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে না ঢোকে তা নিশ্চিত করে রাস্তা ধরে হেঁটেছিলাম।’
ডায়মন্ড জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি আবাসিক ভবন আংশিকভাবে ধসে পড়েছে এবং কয়েক ব্লক দূর থেকেও ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অন্তত ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মানুষ ক্ষয়ক্ষতি দেখতে বেরিয়ে আসছে। পরিবার ও বন্ধুরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরছে। হামলার ধাক্কা বাসিন্দাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।