
বিডিজেন ডেস্ক

ইয়েমেনের হুতিরা ইসরায়েলের লোহিত সাগরের বন্দর শহর ইলাতের ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে’ একাধিক ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। তবে হামলায় হতাহতের বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি। অন্যদিকে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
ইরানের সহায়তাপুষ্ট হুতি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি গতকাল শনিবার (১৬ নভেম্বর) ইসরায়েলে ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছেন।
ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশন বক্তৃতায় বলেন, ‘আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত, গাজা উপত্যকার অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এবং লেবাননের ওপর আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।’
২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হামলা চালিয়ে আসছে হুতিরা। ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে এসব হামলা চালাচ্ছে তারা।
হুতিদের হামলার কারণে অনেক পণ্যবাহী জাহাজ সুয়েজ খালের পরিবর্তে ঘুরপথে চলাচল করছে। অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারি থেকে হুতিদের হামলার জবাব দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। তারা এরই মধ্যে হুতিদের লক্ষ্যবস্তুতে কয়েকবার বিমান হামলা চালিয়েছে।

ইয়েমেনের হুতিরা ইসরায়েলের লোহিত সাগরের বন্দর শহর ইলাতের ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে’ একাধিক ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। তবে হামলায় হতাহতের বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি। অন্যদিকে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
ইরানের সহায়তাপুষ্ট হুতি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি গতকাল শনিবার (১৬ নভেম্বর) ইসরায়েলে ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছেন।
ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশন বক্তৃতায় বলেন, ‘আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত, গাজা উপত্যকার অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এবং লেবাননের ওপর আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।’
২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হামলা চালিয়ে আসছে হুতিরা। ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে এসব হামলা চালাচ্ছে তারা।
হুতিদের হামলার কারণে অনেক পণ্যবাহী জাহাজ সুয়েজ খালের পরিবর্তে ঘুরপথে চলাচল করছে। অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারি থেকে হুতিদের হামলার জবাব দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। তারা এরই মধ্যে হুতিদের লক্ষ্যবস্তুতে কয়েকবার বিমান হামলা চালিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।