
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে শঙ্খনাদ ইনক আয়োজিত শারদ মেলায় চারজন গুণীজনকে শারদ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সিডনিতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয়েছে শুভ মহালয়া। এ উপলক্ষে আয়োজিত শারদ মেলায় কমিউনিটিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ওই চার গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন; সাবেক কাউন্সিলর প্রবীর মৈত্র, কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, লেখক ও কলামিস্ট অজয় দাশগুপ্ত ও ড. সমীর সরকার।
সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইঙ্গেলবার্নের গ্রেগ পারসিভাল হলে দিনব্যাপী এই শারদীয় মেলা হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রবাসী বাঙালিদের প্রাণের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আয়োজকেরা বলেন, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে আমরা তাদের অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে পেরে আনন্দিত। কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণই আমাদের এ আয়োজনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে শঙ্খনাদ ইনক আয়োজিত শারদ মেলায় চারজন গুণীজনকে শারদ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সিডনিতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয়েছে শুভ মহালয়া। এ উপলক্ষে আয়োজিত শারদ মেলায় কমিউনিটিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ওই চার গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন; সাবেক কাউন্সিলর প্রবীর মৈত্র, কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, লেখক ও কলামিস্ট অজয় দাশগুপ্ত ও ড. সমীর সরকার।
সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইঙ্গেলবার্নের গ্রেগ পারসিভাল হলে দিনব্যাপী এই শারদীয় মেলা হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রবাসী বাঙালিদের প্রাণের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আয়োজকেরা বলেন, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে আমরা তাদের অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে পেরে আনন্দিত। কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণই আমাদের এ আয়োজনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।