
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়া। দেশটির অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল সরকার ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘গণহত্যাকারী’ আচরণ করছে।
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয়ে নিকারাগুয়া সরকার বলছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বিচার হামলা এখন শুধু ফিলিস্তিনের গাজায় নয়, লেবাননেও ছড়িয়েছে। ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইরানে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) নিকারাগুয়ার কংগ্রেসে এ–সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়। ওই প্রস্তাবে নিকারাগুয়ার প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগার প্রশাসনকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলা হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে ড্যানিয়েল ওর্তেগার প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা শুরুর বর্ষপূর্তির পরপরই দেশটির সঙ্গে নিকারাগুয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানা গেল।
এর আগে গত মে মাসে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো।

ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়া। দেশটির অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল সরকার ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘গণহত্যাকারী’ আচরণ করছে।
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয়ে নিকারাগুয়া সরকার বলছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বিচার হামলা এখন শুধু ফিলিস্তিনের গাজায় নয়, লেবাননেও ছড়িয়েছে। ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইরানে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) নিকারাগুয়ার কংগ্রেসে এ–সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়। ওই প্রস্তাবে নিকারাগুয়ার প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগার প্রশাসনকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলা হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে ড্যানিয়েল ওর্তেগার প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা শুরুর বর্ষপূর্তির পরপরই দেশটির সঙ্গে নিকারাগুয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানা গেল।
এর আগে গত মে মাসে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।