

বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড উপকূলে রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের নাগরিকদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। ওই নৌকায় প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
খবর—বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে, যার মধ্যে দুই কিশোরী রোহিঙ্গা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে থাই কর্তৃপক্ষ। বাকি যাত্রীদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ইউএনএইচসিআর ও আইওএম মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে উদ্ধার অভিযানে প্রাণরক্ষাকারী ভূমিকা রাখার জন্য। সংস্থা দুটি জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পর জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সহায়তায় তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
সংস্থাদ্বয় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্ভাব্য প্রাণহানির মাত্রা নিয়ে, কারণ রিপোর্ট অনুযায়ী আরেকটি নৌকা এখনো সমুদ্রে রয়েছে, যাতে প্রায় ২৩০ জন যাত্রী রয়েছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ৩০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রা করেছেন। এর মধ্যে ৬০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে সীমিত সহায়তা, মিয়ানমারে ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতি—এর সঙ্গে অর্থায়ন হ্রাস যুক্ত হয়ে আরও বেশি মানুষকে জীবন বাজি রেখে নিরাপত্তার খোঁজে সমুদ্রে নামতে বাধ্য করছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় অংশ নেওয়া রোহিঙ্গাদের দুই-তৃতীয়াংশই নারী ও শিশু।
সমুদ্রে বিপদগ্রস্ত মানুষের জীবন রক্ষা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের অধীনে মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ইউএনএইচসিআর ও আইওএম আহ্বান জানিয়েছে, এমন ট্র্যাজেডি রোধে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ আশ্রয়ে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিতকরণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য।
একইসঙ্গে সংস্থাগুলো বলেছে, মিয়ানমারে চলমান সংকটের রাজনৈতিক সমাধান ও সংঘাতের অবসানে বৃহত্তর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রয়োজন। যতদিন পর্যন্ত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ ও রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিরসন না হবে, ততদিন তারা নিরাপত্তার সন্ধানে বিপজ্জনক যাত্রা অব্যাহত রাখবে।
ইউএনএইচসিআর ও আইওএম দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন অভিবাসন রুটে জাতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে, শরণার্থী, অভিবাসী ও রাষ্ট্রহীন মানুষের সুরক্ষা ও টেকসই সমাধান জোরদারে। এই ‘রুট-ভিত্তিক পদ্ধতি’র লক্ষ্য হলো জীবন রক্ষা, মানুষকে সুরক্ষা প্রদান, ক্ষতি হ্রাস করা এবং অভিবাসন ও শরণার্থী চলাচল কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করতে রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করা।

মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড উপকূলে রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের নাগরিকদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। ওই নৌকায় প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
খবর—বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে, যার মধ্যে দুই কিশোরী রোহিঙ্গা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে থাই কর্তৃপক্ষ। বাকি যাত্রীদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ইউএনএইচসিআর ও আইওএম মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে উদ্ধার অভিযানে প্রাণরক্ষাকারী ভূমিকা রাখার জন্য। সংস্থা দুটি জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পর জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সহায়তায় তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
সংস্থাদ্বয় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্ভাব্য প্রাণহানির মাত্রা নিয়ে, কারণ রিপোর্ট অনুযায়ী আরেকটি নৌকা এখনো সমুদ্রে রয়েছে, যাতে প্রায় ২৩০ জন যাত্রী রয়েছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ৩০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রা করেছেন। এর মধ্যে ৬০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে সীমিত সহায়তা, মিয়ানমারে ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতি—এর সঙ্গে অর্থায়ন হ্রাস যুক্ত হয়ে আরও বেশি মানুষকে জীবন বাজি রেখে নিরাপত্তার খোঁজে সমুদ্রে নামতে বাধ্য করছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় অংশ নেওয়া রোহিঙ্গাদের দুই-তৃতীয়াংশই নারী ও শিশু।
সমুদ্রে বিপদগ্রস্ত মানুষের জীবন রক্ষা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের অধীনে মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ইউএনএইচসিআর ও আইওএম আহ্বান জানিয়েছে, এমন ট্র্যাজেডি রোধে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ আশ্রয়ে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিতকরণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য।
একইসঙ্গে সংস্থাগুলো বলেছে, মিয়ানমারে চলমান সংকটের রাজনৈতিক সমাধান ও সংঘাতের অবসানে বৃহত্তর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রয়োজন। যতদিন পর্যন্ত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ ও রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিরসন না হবে, ততদিন তারা নিরাপত্তার সন্ধানে বিপজ্জনক যাত্রা অব্যাহত রাখবে।
ইউএনএইচসিআর ও আইওএম দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন অভিবাসন রুটে জাতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে, শরণার্থী, অভিবাসী ও রাষ্ট্রহীন মানুষের সুরক্ষা ও টেকসই সমাধান জোরদারে। এই ‘রুট-ভিত্তিক পদ্ধতি’র লক্ষ্য হলো জীবন রক্ষা, মানুষকে সুরক্ষা প্রদান, ক্ষতি হ্রাস করা এবং অভিবাসন ও শরণার্থী চলাচল কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করতে রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।