

মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে প্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণে ইনডোর এনভায়রনমেন্ট কোয়ালিটি ((IEQ) শীর্ষক বিশেষ টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সমিতি ইউএইর আবুধাবিস্থ প্রধান কার্যালয়ে দ্য ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) ওভারসিস চ্যাপ্টার আবুধাবি এবং এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস ইউএইর যৌথ উদ্যোগে এ সেশনের আয়োজন করা হয়।
এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস ইইএইর আবুধাবি শাখার সভাপতি প্রকৌশলী এ কে এম নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইইবির ওভারসিস চ্যাপ্টার আবুধাবির সেক্রেটারি প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস ইউএইর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বাংলাদেশ গ্রিন বিল্ডিং একাডেমি এবং অ্যাশরে (ASHRAE) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি মোহাম্মদ আল ইমরান হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আবুধাবির খলিফা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মতিউর রহমান ও আইইবির ওভারসিজ চ্যাপ্টার আবুধাবির ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু এস্কান্দার। স্বাগত বক্তব্য দেন আইইবির ওভারসিস চ্যাপ্টার ইউএইর সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী ও এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
অন্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী লুৎফর রহমান, প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন, শারমিন আকতার, প্রকৌশলী মোরশেদুল ইসলাম, প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, পারভীন আক্তার জলি ও মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।
টেকনিক্যাল সেশনটি অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত মানের সঙ্গে সম্পর্কিত আলোক নকশায় সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ এবং উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বিস্তৃত প্ল্যাটফর্ম প্রদান করেছে।
অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মধ্যে পেশাদার উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা প্রচারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে টেকসই ভবন নকশা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত মানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে প্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণে ইনডোর এনভায়রনমেন্ট কোয়ালিটি ((IEQ) শীর্ষক বিশেষ টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সমিতি ইউএইর আবুধাবিস্থ প্রধান কার্যালয়ে দ্য ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) ওভারসিস চ্যাপ্টার আবুধাবি এবং এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস ইউএইর যৌথ উদ্যোগে এ সেশনের আয়োজন করা হয়।
এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস ইইএইর আবুধাবি শাখার সভাপতি প্রকৌশলী এ কে এম নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইইবির ওভারসিস চ্যাপ্টার আবুধাবির সেক্রেটারি প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস ইউএইর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বাংলাদেশ গ্রিন বিল্ডিং একাডেমি এবং অ্যাশরে (ASHRAE) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি মোহাম্মদ আল ইমরান হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আবুধাবির খলিফা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মতিউর রহমান ও আইইবির ওভারসিজ চ্যাপ্টার আবুধাবির ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু এস্কান্দার। স্বাগত বক্তব্য দেন আইইবির ওভারসিস চ্যাপ্টার ইউএইর সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী ও এনআরবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
অন্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী লুৎফর রহমান, প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন, শারমিন আকতার, প্রকৌশলী মোরশেদুল ইসলাম, প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, পারভীন আক্তার জলি ও মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।
টেকনিক্যাল সেশনটি অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত মানের সঙ্গে সম্পর্কিত আলোক নকশায় সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ এবং উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বিস্তৃত প্ল্যাটফর্ম প্রদান করেছে।
অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মধ্যে পেশাদার উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা প্রচারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে টেকসই ভবন নকশা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত মানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।