
বিডিজেন ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিমানবন্দর হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির জায়েদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইউনেসকো দিয়েছে এই স্বীকৃতি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, মূলত স্থাপত্যশৈলীর জন্যই জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেসকো।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর সদর দপ্তরে এক উৎসবমুখর পরিবেশে এ স্বীকৃতির পাশাপাশি বিমানবন্দর স্থাপনা ও নকশা কমিটিকে ‘ওয়ার্ল্ড আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইন’ পুরস্কারও প্রদান করা হয়েছে।
২ ডিসেম্বর বিমানবন্দরটিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেসকো। এই দিনটি একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস এবং জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন দিবস। ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর এ বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করা হয়েছিল।
দেখতে অনেকটা ইংরেজি অক্ষর এক্স আকৃতির এই বিমানবন্দরটির আয়তন ৭ লাখ ৪২ হাজার মিটার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের চিরায়ত স্থাপত্য ঐতিহ্য অনুসরণ করে তৈরি করা এ বিমানবন্দরটি একই সঙ্গে ১১ হাজার যাত্রী এবং ৭৯টি উড়োজাহাজ ধারণ করতে সক্ষম।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিমানবন্দর হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির জায়েদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইউনেসকো দিয়েছে এই স্বীকৃতি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, মূলত স্থাপত্যশৈলীর জন্যই জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেসকো।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর সদর দপ্তরে এক উৎসবমুখর পরিবেশে এ স্বীকৃতির পাশাপাশি বিমানবন্দর স্থাপনা ও নকশা কমিটিকে ‘ওয়ার্ল্ড আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইন’ পুরস্কারও প্রদান করা হয়েছে।
২ ডিসেম্বর বিমানবন্দরটিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেসকো। এই দিনটি একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস এবং জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন দিবস। ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর এ বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করা হয়েছিল।
দেখতে অনেকটা ইংরেজি অক্ষর এক্স আকৃতির এই বিমানবন্দরটির আয়তন ৭ লাখ ৪২ হাজার মিটার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের চিরায়ত স্থাপত্য ঐতিহ্য অনুসরণ করে তৈরি করা এ বিমানবন্দরটি একই সঙ্গে ১১ হাজার যাত্রী এবং ৭৯টি উড়োজাহাজ ধারণ করতে সক্ষম।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।