
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং এলাকার জালান বেদারা সড়কের একটি ভবনে গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে জুয়ার আসরে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন দপ্তর। সেখান থেকে ৭৭০ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৭৭ জন বাংলাদেশি।
মালয়েশিয়ার জাতীয় সংবাদমাধ্যম বারনামা এ খবর জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আকস্মিক অভিযানে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন অনেকেই। এ সময় কয়েকজন ভবনের ছাদে উঠে পড়েন। কেউ টেবিলের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেন। কেউবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুকিয়ে পড়েন। সবাইকে আটক করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের পরিচালক বসরি ওসমান বলেন, সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে সেখানে বিদেশিরা জড়ো হয়ে কিছু একটা করছেন—তিন সপ্তাহ ধরে স্থানীয় অনেকে এমন অভিযোগ করছেন। এর ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা অভিযান চালানো হয়।
বসরি ওসমান বলেন, ‘আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমাদের কর্মকর্তারা সেখানে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাসহ একটি অনলাইন জুয়াখেলার জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। অভিযানের সময় ৭ জন বিদেশিকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে।’
ঘটনাস্থলে ১০৬ সরকারি কর্মকর্তা সব মিলিয়ে ২ হাজার ৪৪৫ জনের নথিপত্র যাচাই করে দেখেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ জন বিদেশি। বাকি ৮৪৫ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক। যাচাই–বাছাই শেষে ৭৭০ বিদেশিকে আটক করা হয়।
মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান, পরিচয়পত্র না থাকা, স্বীকৃতিহীন পরিচয়পত্র বা পাস সঙ্গে রাখার মতো অভিবাসন–সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বসরি ওসমান বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশের ৩৭৭ জন, মিয়ানমারের ২৩৫ জন, নেপালের ৭২ জন, ভারতের ৫৮ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন পুরুষ ও ২ জন নারী এবং অন্য দেশের ২ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী রয়েছেন।
আটক বিদেশি ব্যক্তিদের বয়স ২১ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে। প্রাথমিকভাবে তাদের পুত্রজায়া অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়। পরে বিস্তারিত তদন্তের জন্য তাদের বুকিত জলিল ও লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোয় রাখা হয়েছে বলে জানান বসরি।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং এলাকার জালান বেদারা সড়কের একটি ভবনে গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে জুয়ার আসরে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন দপ্তর। সেখান থেকে ৭৭০ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৭৭ জন বাংলাদেশি।
মালয়েশিয়ার জাতীয় সংবাদমাধ্যম বারনামা এ খবর জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আকস্মিক অভিযানে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন অনেকেই। এ সময় কয়েকজন ভবনের ছাদে উঠে পড়েন। কেউ টেবিলের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেন। কেউবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুকিয়ে পড়েন। সবাইকে আটক করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের পরিচালক বসরি ওসমান বলেন, সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে সেখানে বিদেশিরা জড়ো হয়ে কিছু একটা করছেন—তিন সপ্তাহ ধরে স্থানীয় অনেকে এমন অভিযোগ করছেন। এর ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা অভিযান চালানো হয়।
বসরি ওসমান বলেন, ‘আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমাদের কর্মকর্তারা সেখানে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাসহ একটি অনলাইন জুয়াখেলার জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। অভিযানের সময় ৭ জন বিদেশিকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে।’
ঘটনাস্থলে ১০৬ সরকারি কর্মকর্তা সব মিলিয়ে ২ হাজার ৪৪৫ জনের নথিপত্র যাচাই করে দেখেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ জন বিদেশি। বাকি ৮৪৫ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক। যাচাই–বাছাই শেষে ৭৭০ বিদেশিকে আটক করা হয়।
মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান, পরিচয়পত্র না থাকা, স্বীকৃতিহীন পরিচয়পত্র বা পাস সঙ্গে রাখার মতো অভিবাসন–সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বসরি ওসমান বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশের ৩৭৭ জন, মিয়ানমারের ২৩৫ জন, নেপালের ৭২ জন, ভারতের ৫৮ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন পুরুষ ও ২ জন নারী এবং অন্য দেশের ২ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী রয়েছেন।
আটক বিদেশি ব্যক্তিদের বয়স ২১ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে। প্রাথমিকভাবে তাদের পুত্রজায়া অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়। পরে বিস্তারিত তদন্তের জন্য তাদের বুকিত জলিল ও লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোয় রাখা হয়েছে বলে জানান বসরি।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।