
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ট্রাভেল পারমিট আনতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে হাইকমিশন প্রাঙ্গণেই মারা গেছেন অরুণ নামের এক প্রবাসী। গতকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "বাংলাদেশ হাইকমিশন কুয়ালালামপুর গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, মালয়েশিয়াপ্রবাসী লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চররোহিতা গ্রামের বাসিন্দা জনাব অরুণ, পিতা–সোলেমান হায়দার, মাতা–ছালেহা বেগম আজ সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় ইন্তেকাল করেছেন।
সোমবার সকাল আনুমানিক ১১টায় তিনি তার স্ত্রী মোসাম্মাৎ শাহানাজ শরীফসহ ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহের জন্য হাইকমিশনে উপস্থিত হন। অসুস্থ থাকায় মানবিক বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে তার ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। পরবর্তীতে তিনি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়; অ্যাম্বুলেন্সে উপস্থিত প্যারামেডিক নার্স তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি অবিলম্বে মালয়েশিয়ান পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় প্রাথমিক তদন্তের পর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে।
মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি তার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছিল। তিনি উচ্চ ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। তার মরদেহ দ্রুত দেশে প্রেরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।"

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ট্রাভেল পারমিট আনতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে হাইকমিশন প্রাঙ্গণেই মারা গেছেন অরুণ নামের এক প্রবাসী। গতকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "বাংলাদেশ হাইকমিশন কুয়ালালামপুর গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, মালয়েশিয়াপ্রবাসী লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চররোহিতা গ্রামের বাসিন্দা জনাব অরুণ, পিতা–সোলেমান হায়দার, মাতা–ছালেহা বেগম আজ সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় ইন্তেকাল করেছেন।
সোমবার সকাল আনুমানিক ১১টায় তিনি তার স্ত্রী মোসাম্মাৎ শাহানাজ শরীফসহ ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহের জন্য হাইকমিশনে উপস্থিত হন। অসুস্থ থাকায় মানবিক বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে তার ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। পরবর্তীতে তিনি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়; অ্যাম্বুলেন্সে উপস্থিত প্যারামেডিক নার্স তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি অবিলম্বে মালয়েশিয়ান পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় প্রাথমিক তদন্তের পর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে।
মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি তার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছিল। তিনি উচ্চ ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। তার মরদেহ দ্রুত দেশে প্রেরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।"
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় অসুস্থ ওই প্রবাসী মারা যান।