
বিডিজেন ডেস্ক

বিশ্বে কর্মস্থলের সংস্কৃতি ও কাজের সন্তুষ্টি এবং কাজ ও অবসরের ভারসাম্যের প্রশ্নে ডেনমার্কই সেরা। দ্বিতীয় সৌদি আরব। আর তৃতীয় বেলজিয়াম।
এক জরিপে এই তিন দেশের নাম তালিকার শীর্ষে এসেছে, যেখানে নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে সুখী প্রবাসীরা।
জরিপে বলা হয়েছে, কাজ, কাজের সুযোগ, কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য নিয়ে তুষ্ট সৌদি আরবের প্রবাসীরা।
প্রবাসীদের অনলাইনভিত্তিক বৈশ্বিক সমাজ ইন্টারনেশনস-এর এক্সপ্যাট ইনসাইডার জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি এই জরিপ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাড়ে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসী এই জরিপে অংশ নেন।
যেসব দেশে ক্যারিয়ার নিয়ে প্রবাসীরা সুখী, তার শীর্ষ তালিকা
১. ডেনমার্ক
২. সৌদি আরব
৩. বেলজিয়াম
৪. নেদারল্যান্ডস
৫. লুক্সেমবার্গ
৬. সংযুক্ত আরব আমিরাত
৭. অস্ট্রেলিয়া
৮. মেক্সিকো
৯. ইন্দোনেশিয়া
১০. অস্ট্রিয়া
তালিকায় প্রথম স্থানে থাকা ডেনমার্কের প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবাসী কর্মঘণ্টা এবং অবসরের ভারসাম্য নিয়ে তুষ্ট, পুরো বিশ্বে যে হার ৬০ শতাংশ। ডেনমার্কের প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবাসী তাঁদের কর্মঘণ্টা নিয়েও সুখী। গড়ে সপ্তাহে ৩৯ ঘণ্টা ১২ মিনিট কাজ করতে হয় সেখানে, বৈশ্বিক গড় সাড়ে ৪২ ঘণ্টা।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা সৌদি আরবের প্রবাসীদের ৭৫ শতাংশ বলেছেন, সৌদি আরবে এসে তাঁদের ক্যারিয়ারের উন্নতি হয়েছে। বেড়েছে ক্যারিয়ার নিয়ে প্রত্যাশা। সদ্য যাঁরা সৌদিপ্রবাসী হয়েছেন, তাঁদের ৬৩ শতাংশই স্থানীয় অর্থনীতি নিয়ে সন্তুষ্ট।
তবে সৌদি আরবের নেতিবাচক দিক হলো, সেখানে একটি পূর্ণকালীন কাজের জন্য গড়ে সপ্তাহের ৪৭ ঘণ্টা ৪৮ মিনিটই বরাদ্দ রাখতে হয়।
তালিকায় বেলজিয়ামের অবস্থান তৃতীয়। সেখানে কর্মনিরাপত্তা, স্থানীয় কাজের বাজার এবং নিজেদের ক্যারিয়ারের সুযোগ নিয়ে প্রবাসীরা দারুণ সন্তুষ্ট। কর্মস্থলে নেই বাড়াবাড়ি রকমের কঠোর নিয়মকানুন। এখানকার প্রবাসীদের ৬৮ শতাংশ বলছেন, তাঁরা কর্মস্থলে না গিয়েই কাজ করতে পারেন। বৈশ্বিক গড় কর্মঘণ্টার চেয়ে কর্মঘণ্টা কম এখানে, সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট।
সূত্র: সিএনবিসি

বিশ্বে কর্মস্থলের সংস্কৃতি ও কাজের সন্তুষ্টি এবং কাজ ও অবসরের ভারসাম্যের প্রশ্নে ডেনমার্কই সেরা। দ্বিতীয় সৌদি আরব। আর তৃতীয় বেলজিয়াম।
এক জরিপে এই তিন দেশের নাম তালিকার শীর্ষে এসেছে, যেখানে নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে সুখী প্রবাসীরা।
জরিপে বলা হয়েছে, কাজ, কাজের সুযোগ, কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য নিয়ে তুষ্ট সৌদি আরবের প্রবাসীরা।
প্রবাসীদের অনলাইনভিত্তিক বৈশ্বিক সমাজ ইন্টারনেশনস-এর এক্সপ্যাট ইনসাইডার জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি এই জরিপ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাড়ে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসী এই জরিপে অংশ নেন।
যেসব দেশে ক্যারিয়ার নিয়ে প্রবাসীরা সুখী, তার শীর্ষ তালিকা
১. ডেনমার্ক
২. সৌদি আরব
৩. বেলজিয়াম
৪. নেদারল্যান্ডস
৫. লুক্সেমবার্গ
৬. সংযুক্ত আরব আমিরাত
৭. অস্ট্রেলিয়া
৮. মেক্সিকো
৯. ইন্দোনেশিয়া
১০. অস্ট্রিয়া
তালিকায় প্রথম স্থানে থাকা ডেনমার্কের প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবাসী কর্মঘণ্টা এবং অবসরের ভারসাম্য নিয়ে তুষ্ট, পুরো বিশ্বে যে হার ৬০ শতাংশ। ডেনমার্কের প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবাসী তাঁদের কর্মঘণ্টা নিয়েও সুখী। গড়ে সপ্তাহে ৩৯ ঘণ্টা ১২ মিনিট কাজ করতে হয় সেখানে, বৈশ্বিক গড় সাড়ে ৪২ ঘণ্টা।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা সৌদি আরবের প্রবাসীদের ৭৫ শতাংশ বলেছেন, সৌদি আরবে এসে তাঁদের ক্যারিয়ারের উন্নতি হয়েছে। বেড়েছে ক্যারিয়ার নিয়ে প্রত্যাশা। সদ্য যাঁরা সৌদিপ্রবাসী হয়েছেন, তাঁদের ৬৩ শতাংশই স্থানীয় অর্থনীতি নিয়ে সন্তুষ্ট।
তবে সৌদি আরবের নেতিবাচক দিক হলো, সেখানে একটি পূর্ণকালীন কাজের জন্য গড়ে সপ্তাহের ৪৭ ঘণ্টা ৪৮ মিনিটই বরাদ্দ রাখতে হয়।
তালিকায় বেলজিয়ামের অবস্থান তৃতীয়। সেখানে কর্মনিরাপত্তা, স্থানীয় কাজের বাজার এবং নিজেদের ক্যারিয়ারের সুযোগ নিয়ে প্রবাসীরা দারুণ সন্তুষ্ট। কর্মস্থলে নেই বাড়াবাড়ি রকমের কঠোর নিয়মকানুন। এখানকার প্রবাসীদের ৬৮ শতাংশ বলছেন, তাঁরা কর্মস্থলে না গিয়েই কাজ করতে পারেন। বৈশ্বিক গড় কর্মঘণ্টার চেয়ে কর্মঘণ্টা কম এখানে, সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট।
সূত্র: সিএনবিসি
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।