
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

নিউইয়র্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের বিচারের দাবিতে অস্ট্রেলিয়ায় এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে শাফি মাহমুদ স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন। হাইকমিশনের পক্ষে এটি গ্রহণ করেন তাইমা রহমান। হাইকমিশন জানিয়েছে, স্মারকলিপিটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, নিউইয়র্কে সরকারি সফরের সময় এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেনি, বরং প্রবাসী নাগরিকদের নিরাপত্তাকেও গভীর সংকটে ফেলেছে। সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা আজ বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স অস্ট্রেলিয়া তাদের অবস্থান তুলে ধরে জানায়, শুধু নিন্দা জানিয়ে থেমে থাকা যাবে না। বাংলাদেশ সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় বিশ্বব্যাপী প্রবাসী নাগরিকরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

নিউইয়র্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের বিচারের দাবিতে অস্ট্রেলিয়ায় এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে শাফি মাহমুদ স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন। হাইকমিশনের পক্ষে এটি গ্রহণ করেন তাইমা রহমান। হাইকমিশন জানিয়েছে, স্মারকলিপিটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, নিউইয়র্কে সরকারি সফরের সময় এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেনি, বরং প্রবাসী নাগরিকদের নিরাপত্তাকেও গভীর সংকটে ফেলেছে। সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা আজ বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স অস্ট্রেলিয়া তাদের অবস্থান তুলে ধরে জানায়, শুধু নিন্দা জানিয়ে থেমে থাকা যাবে না। বাংলাদেশ সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় বিশ্বব্যাপী প্রবাসী নাগরিকরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।